সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ইসলাম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

স্রষ্টাভাবনা

প্রথম ভাগ: দার্শনিকের স্রষ্টাভাবনা  | | পর্ব-১: উৎসের সন্ধানে উৎসের সন্ধান করা মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য। মানুষ তার আশেপাশের জিনিসের উৎস জানতে চায়। কোথাও পিঁপড়ার লাইন দেখলে সেই লাইন ধরে এগিয়ে গিয়ে পিঁপড়ার বাসা খুঁজে বের করে। নাকে সুঘ্রাণ ভেসে এলে তার উৎস খোঁজে। অপরিচিত কোনো উদ্ভিদ, প্রাণী কিংবা যেকোনো অচেনা জিনিস দেখলে চিন্তা করে – কোথা থেকে এলো? কোথাও কোনো সুন্দর আর্টওয়ার্ক দেখলে অচেনা শিল্পীর প্রশংসা করে। আকাশের বজ্রপাত, বৃষ্টি, রংধনু কিংবা সাগরতলের অচেনা জগৎ নিয়েও মানুষ চিন্তা করে। এমনকি ছোট শিশু, যে হয়তো কথাই বলতে শেখেনি, সে-ও কোনো শব্দ শুনলে তার উৎসের দিকে মাথা ঘুরায়। অর্থাৎ, মানুষ জন্মগতভাবেই কৌতুহলপ্রবণ। একটা বাচ্চা জ্ঞান হবার পর চিন্তা করে – আমি কোথা থেকে এলাম? আরো বড় হবার পর চিন্তা করে – আমার মা কোথা থেকে এলো? এমনি করে একসময় ভাবে, পৃথিবীর প্রথম মা ও প্রথম বাবা, অর্থাৎ আদি পিতা-মাতা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল? চারিদিকের গাছপালা, প্রকৃতি, পশুপাখি, গ্রহ-নক্ষত্র-মহাবিশ্ব – এগুলিরই বা সৃষ্টি হয়েছে কিভাবে? ইত্যাদি নানান প্রশ্ন উৎসুক মনে খেলে যায়। তখনই শুরু হয় সমস্যা।...

বিশ্বাসীদের মাঝে ঐক্য নেই কেন? | যুক্তির কাঠগড়ায় ইসলাম

তৃতীয় ভাগ: যুক্তির কাঠগড়ায় ইসলাম || পর্ব-১: বিশ্বাসীদের মাঝে ঐক্য নেই কেন? ইসলাম নিয়ে নাস্তিকদের একটা সাধারণ অভিযোগ হলো, তোমাদের নিজেদের মাঝে ঐক্য নেই কেন? মুসলিমদের মাঝে শিয়া-সুন্নি বিভেদ কেন? কিংবা, Abrahamic religion অর্থাৎ ইহুদী ধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম ও ইসলাম ধর্মের মাঝে ঐক্য নেই কেন? পাঠক! কথা তো সত্য। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মুসলমানদের মাঝে বহু দলাদলি বিভক্তি রয়েছে। বিভক্তি রয়েছে খ্রিষ্টনাদের নিজেদের মাঝেও। আর ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলমান পরস্পর মারামারি করে আসছে বহুকাল যাবৎ। অথচ সবাই-ই এক আল্লাহর অনুসারী! এক আল্লাহরই প্রেরিত তিনজন নবীর অনুসারী। তাহলে তাদের মাঝে ঐক্য নেই কেন? সংক্ষেপে বললে গেলে উত্তরে বলতে হয়, যেকোনো সমাজের অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস (যান্) এর স্তরে থাকে। খুব কমসংখ্যক মানুষই জ্ঞান (ইলম) এর স্তরে থাকে, এবং তারও মাঝে খুব কম সংখ্যকই ঈমান (প্রশান্তি ও নিরাপত্তা) অর্জন করতে পারে। প্রথমে একদল মানুষ জ্ঞান দিয়ে বুঝে শুনে সত্যকে (হক্ব) গ্রহণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের বংশধরদের কাছে সেটা হয়ে যায় “বাপ-দাদার ধর্ম”। আর বাপ-দাদার ধর্মকে মানুষ ‘বিশ্বাস’ করে আঁকড়ে...